আবারো প্যাকেটজাত আটার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিগুলো। তবে, নতুন দামের প্যাকেটজাত আটা বাজারে না আসতেই দুই কেজির প্রতি প্যাকেটে আটার দাম বেড়ে গেছে ১০ টাকা, অর্থাৎ কেজিতে ৫ টাকা।
আমদানিকারকরা বলছেন, আটার দাম বিশ্ববাজারে ৩১ শতাংশ কমলেও গত এক বছরে আটা উৎপাদানে অন্তত ৫০ শতাংশ খরচ বেড়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ডলারের দাম বৃদ্ধি। টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। গ্যাস-বিদ্যুৎ মিলিয়ে আরো ১২ শতাংশ বেড়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে গমের দাম কমলেও দেশের বাজারে এর প্রভাব তেমন একটা পড়েনি।
টিকে গ্রুপের পরিচালক (ফিন্যান্স অ্যান্ড অপারেশনস) শফিউল আতাহার তাসলিম বলেছেন, বিশ্ববাজারে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও দেশের মানুষ তার সুবিধা নিতে পারছে না। এর বড় একটা কারণ, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া। এক বছরে বিশ্ববাজারে গমের দাম ৩১ শতাংশ কমেছে এটি যতটা সত্যি। তার থেকে বেশি উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ২০২২ সালের দিকে এক ডলারের মূল্য ছিলো ৮৫ টাকা। কিন্তু তা এক বছরের ব্যবধানে ৩৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। খরচ বাড়ায় শুধু নারায়ণগঞ্জে ৯০ শতাংশ মিল বন্ধ হয়ে গেছে।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব বলছে, রবিবার খুচরা পর্যায়ে প্যাকেটের আটার দাম ছিলো প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। আর খোলা আটার দাম ছিলো প্রতি কেজি ৪২ থেকে ৪৫ টাকা।
স্বাআলো/এসএস