ঢাকা অফিস: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে এক রোহিঙ্গা যুবককে ক্যাম্প থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর লাশ ধানক্ষেতে ফেলে রাখে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সন্ত্রাসীরা।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হোসেন জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৪ জুন) উখিয়া উপজেলার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-১৪ ব্লকে তাকে হত্যা করা হয়। নিহত খাইরুল আমিন (৩৬) উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-১৪ ব্লকের বাসিন্দা জমির হোসেনের ছেলে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ৩
স্থানীয়দের বরাতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হোসেন বলেন, শুক্রবার ক্যাম্পে নিজের বসত ঘরের সামনে থেকে সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার কমান্ডার সলিমের নেতৃত্বে একদল দূর্বৃত্ত খাইরুল আমিনকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। পরে ক্যাম্প সংলগ্ন মোছারখোলা বাঙালি পাড়ায় নিয়ে তাকে কয়েকটি গুলি করে দূর্বৃত্তরা। এরপর লাশ ধানক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন ধানক্ষেতে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে এপিবিএন পুলিশের দল ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হোসেন বলেন, কিছুদিন আগেও খাইরুল আমিন সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি তিনি রোহিঙ্গাদের আরেকটি সংগঠন আরএসওতে যোগ দিয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন করা হয়েছে।
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
স্বাআলো/এস
