বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে শাফায়েত তালুকদার (২৫) নামের এক যুবককে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় একই এলাকায় আরো দুইজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।
নিহত শাফায়েত তালুকদার একটি মামলায় ওয়ারেন্টেড আসামি। পরিবারের অভিযোগ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা শাফায়েত তালুকদারকে আটক করতে এসে পিটিয়ে হত্যা ও তার চাচা শাহিন তালুকদার ও চাচাতো ভাই সোহেল তালুকদারকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
নিহত শাফায়েত উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জিউধরা গ্রামের ফারুক হোসেন তালুকদারের ছেলে।
মঙ্গলবার এ ঘটনার পর নিহত শাফায়েতসহ আহত দুইজনকে মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান বলেন, পুলিশের গাড়িতে করে তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। এদের মধ্যে শাফায়েত তালুকদারকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। আরো দুইজন আহত অবস্থায় ভর্তি হয়েছে।
নিহত শাফায়েত তালুকদারের মা শাফিয়া বেগম ও স্ত্রী তন্বী বেগম অভিযোগ করে বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যারা শাফায়াতকে বিনা অপরাধে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
পুলিশ বলছে, সোহেল নামে একজন ওয়ারেন্টেড আসামিকে আটকের জন্য পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় গেলে সেখানে ডাকাত ডাকাত বলে পুলিশের ওপর কিছু লোক হামলা করে। পরে পুলিশ তাদের জনবল বাড়িয়ে ও সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় শাফায়েত, শাহিন ও সোহেলকে আটক করে থানার উদ্দেশে রওনা হয়। পথিমধ্যে শাফায়েত মারা যায়।
মোড়েলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজিব আল রশিদ বলেন, ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশের পৃথক টিম পাঠানো হয়েছে। ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ছোরা, একটি রামদা, লাইসেন্সসহ এক নলা একটি বন্দুক, ২১টি কার্তুজ, তিনটি মোবাইল ফোন, ছয়টি পুলিশের পোশাক ও ২২ বোরের ৯টি গুলি উদ্ধার করেছে।
স্বাআলো/এস
