যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বায়সা-চাঁদপুর দাখিল মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহানা খাতুনকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির (ফাঁসি) দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ জুন) মাদরাসা সংলগ্ন বায়সা বাজারে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বায়সা চাঁদপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকাবাসী এবং কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে দ্রুত বিচার ও ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানানো হয়।
সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই মানববন্ধনে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার কবির হোসেন সভাপতিত্ব করেন।
সিন্ডিকেটের কবলে শার্শার কচুর বাজার: ন্যায্যমূল্য নেই, শঙ্কায় কৃষক
এতে বক্তব্য রাখেন- মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আব্দুল মালেক, অভিভাবক সদস্য রবিউল ইসলাম মিলন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার প্রতিষ্ঠাতা মাস্টার আশরাফুজ্জামান বাবু, ভুক্তভোগী শিশু সোহানার বাবা আব্দুল জলিল, বাজার কমিটির সভাপতি মোরশেদ আলম, স্বপ্নচূড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মানববন্ধনে বক্তারা সোহানার হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার জরুরি।
উল্লেখ্য, ঈদুল আজহার দিন থেকে নিখোঁজ ছিলো শিশু সোহানা। ঈদের পরের দিন গ্রামের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বা পুকুরে ডুবে মৃত্যুর বলে ধারণা করা হলেও, পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে যে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের নায়ক ছিল শিশুটির আপন ফুফাতো ভাই নাসমুস সাকিব ওরফে নয়ন। বুধবার পুলিশ তাকে আটক করেছে।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের ফাঁসি চেয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা, স্বপ্নচূড়া, আশার আলো, বায়সা বাজার কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠন মানববন্ধনে একাত্মতা ঘোষণা করে।
স্বাআলো/এস
