বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে রাষ্ট্রীয় সফরে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাওইয়াং রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে চীন সরকারের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম বেইজিং সফর বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হন।
বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিশেষ হাইস্পিড বুলেট ট্রেনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। প্রায় ৩ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটের যাত্রা শেষে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে ট্রেনটি বেইজিং চাওইয়াং স্টেশনে পৌঁছায়।
স্টেশনে পৌঁছানোর পর চীনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বেইজিংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান করে।
এ সময় লাল গালিচা সংবর্ধনার পাশাপাশি দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
স্টেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে চীনের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা এই অতিথি ভবনেই অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরকালে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক এবং কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।






