মেহেরপুরে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বাবাকে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে সিফাত ফকিরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবির আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম।
দণ্ডপ্রাপ্ত সিফাত ফকির গাংনী উপজেলার কল্যাণপুর কালিতলা পাড়ার মনির উদ্দীনের ছেলে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে খাবার শেষে মনির উদ্দীন বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা বাইরে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোকেয়া বেগম অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে গাংনী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম বুলবুল আহম্মেদ তদন্ত শেষে নিহতের ছেলে সিফাত ফকিরের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান।
পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তের সময় তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
২০১৯ সালের ৩০ জুন সিফাত ফকিরের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষ্য দেন।
আদালতের রায়ে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ কে এম শফিকুল আলম।






