যশোরে রোববার ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৫৪ হাজার শিশু

আগামী রোববার (২৮ জুন) সারাদেশের মতো যশোরেও অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এবারের কর্মসূচিতে জেলার ৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৬৪ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে যশোর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন সভায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা।স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বয়স অনুযায়ী দুই শ্রেণিতে ভাগ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৪ হাজার ৬১২ শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৯ হাজার ৬৫২ শিশুকে একটি করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে।ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার ২ হাজার ৩০১টি কেন্দ্রে একযোগে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ২৫৬টি স্থায়ী কেন্দ্র, ৩০টি আউটরিচ কেন্দ্র, ৬টি অতিরিক্ত কেন্দ্র এবং ৯টি মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র।কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারি মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীসহ মোট ৫ হাজার ২১৭ জন কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৮ জন সরকারি মাঠকর্মী এবং ৪ হাজার ৪৭৯ জন স্বেচ্ছাসেবী রয়েছেন।নির্ধারিত দিনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিশুকে কোনোভাবেই খালি পেটে কেন্দ্রে আনা যাবে না। ভরা পেটে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।তিনি জানান, কাঁচি দিয়ে ক্যাপসুলের মুখ কেটে ভেতরের তরল অংশ শিশুর মুখে দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই আস্ত ক্যাপসুল শিশুর মুখে দেওয়া যাবে না।সিভিল সার্জন আরও বলেন, কোনো শিশু যদি তীব্র ডায়রিয়া, জ্বর বা অন্য কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত থাকে, তাহলে সুস্থ হওয়ার পর তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।কর্মসূচি সফল করতে জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন সিভিল সার্জন






