তারিখ লোড হচ্ছে...
স্বাধীন আলো

সত্যের পথে, মানুষের পাশে

Saturday, 25 July 2026
শিক্ষা

স্থানীয় নির্বাচন করলে শিক্ষাকতা ছাড়তে: শিক্ষামন্ত্রী

Debu Mallick  |  02 July 2026

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, কোনো শিক্ষক নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে আগে চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর অ্যাডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট অ্যান্ড মাল্টিপিলার গ্রান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোনো শিক্ষক নির্বাচন করতে চাইলে তিনি যেন আগে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। এ বিষয়ে আইন প্রণয়নের জন্য আমি সুপারিশ করব।’

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত দীর্ঘ নয় বছরের আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। এর ফলে সারা দেশে ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি এবং ৩৮ হাজার ৪৪৩টি সহকারী শিক্ষক পদে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী জানান, আপিল বিভাগ সরকারের পক্ষে রায় দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির ওপর থাকা স্থবিরতা দূর হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা পদোন্নতি কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, আদালতের রায় পাওয়ার পরপরই বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই পিএসসিতে আনুষ্ঠানিক চাহিদাপত্র পাঠানো হচ্ছে এবং বিশেষ ব্যবস্থায় পদোন্নতি ও নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৫০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং প্রায় ৬০ লাখ শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হচ্ছিল।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ এবং ৮০ শতাংশ সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান রয়েছে। তবে ২০১৭ সালে দায়ের করা একটি রিট মামলার কারণে হাইকোর্টের রায়ের পর আপিল বিভাগ ‘স্ট্যাটাস কো’ আদেশ দেওয়ায় গত নয় বছর ধরে পদোন্নতি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষককে দ্রুত বিদ্যালয়ে পাঠাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত নয় মাসের পিটিআই প্রশিক্ষণের পরিবর্তে প্রাথমিকভাবে দুই মাসের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের বিদ্যালয়ে যোগদানের সুযোগ দেওয়া হবে। পরে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের বাকি অংশ সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, পিটিআইয়ের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষক সংকট দ্রুত দূর করা যায় এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত না হয়।

নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল

স্বাধীন আলো.com

আপনার এলাকার খবর জানান আপনি নিজেই!

যোগ দিন আমাদের "নাগরিক সাংবাদিকতা" গ্রুপে। আপনার চারপাশের সমস্যা, সম্ভাবনা বা জনদুর্ভোগের ছবি ও তথ্য পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে। আমরা হব আপনার কণ্ঠস্বর।

📧 info@shadhinalo.com🟢 WhatsApp: 01783057931
খবর পাঠান (হোয়াটসঅ্যাপ)