খুলনায় সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

খুলনায় মামলা
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ জন নামীয়সহ মোট ৫৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
খুলনা মহানগরীর সদর থানা এলাকায় সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫–৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানার এসআই তপন কুমার পাল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা হলেন— রনবীর বাড়ৈ সজল, অনুপ সরকার, মৃদুল, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তায়েফুল ইসলাম তাজ, প্রসেনজিৎ, শহিদুল ইসলাম, রাহাত আলী মোড়ল, অনিক হাসান পারভেজ, গৌতম সরকার কাকন, আছাফুর ঢালী, গোপাল চন্দ্র সাহা, আক্তার শিকদার, মনিরুল ইসলাম মনি, রাজিব আহমেদ, জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ এবং মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টু। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, গত বুধবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে ৫টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে সদর থানার তারের পুকুরসংলগ্ন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে আসামিরা জড়ো হন। তারা বর্তমান সরকারকে উৎখাত, মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতা এবং অন্যান্য জেলার সঙ্গে খুলনার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে সড়কে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও যানবাহন ভাঙচুরের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া, মামলায় উল্লেখ করা হয় যে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা সরকারের বিরুদ্ধে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেন, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






