
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং মামলায় আত্মসমর্পণকারী চাকরিচ্যুত পুলিশ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফারহানা ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন যশোরের আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) যশোরের বিশেষ দায়রা জজ এস এম নূরুল ইসলাম আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, কনস্টেবল থেকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদে উন্নীত জসিম উদ্দিনকে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।
পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে তার ও তার স্ত্রী ফারহানা ইসলামের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
দুদকের তদন্ত অনুযায়ী, এই দম্পতির নামে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তাদের বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ৬ লাখ টাকা। বাকি ১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার ২৩ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস তারা দেখাতে পারেননি বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২০ সালে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বৃহস্পতিবার জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতের এই আদেশ বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ। আইন অনুযায়ী মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলবে।



